কিভাবে বুঝবেন আপনার হার্ট এ্যাটাক হয়েছে

করোনারি আর্টারি নামে হৃৎপিন্ডের গায়ে দুটি ধমনী আছে ।এরাই হৃৎপিন্ডে পুষ্টির যোগান দেয়। কোন কারনে এই করোনারি আর্টারিতে যদি হঠাৎ ব্লক সৃষ্টি হয় তাহলে হৃৎপিন্ডের যে অংশে ঐ আর্টারি বা ধমনী রক্তের পুষ্টি সরবরাহ করে তা বন্ধ হয়ে যায়। তখন সে জায়গার হৃৎপেশি কাজ করে না। একেই হার্ট অ্যাটাক বলা হয়।। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এর নাম মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন।

হার্ট এ্যাটাকের লক্ষণ

হার্ট অ্যাটাক হলে বুকে প্রচন্ড ব্যাথা অনুভূত হয়। এই ব্যাথা বাম হাতে বা নীচের চোয়ালে, ঘাঁডের পিছন দিকে অথবা পিঠের দিকে যেতে পারে। কোন কোন সময় রোগীর পেটের উপরিভাগেও ব্যাথা হতে পারে। রোগীর বমি বমি ভাব অথবা বমি হতে পারে । শরীরে ঘাম দেখা দিতে পারে।
ডায়বেটিস রোগীর ক্ষেত্রে সাইলেন্ট / কোন রকম ব্যাথা ছাড়াই হার্ট এ্যাটাক হতে পারে।
মহিলাদের ক্ষেত্রে শুধু মাত্র পিঠে ব্যাথা অথবা চোয়ালে ব্যাথা বা মাথা ব্যাথও হার্ট এ্যাটকের লক্ষণ হিসাবে দেখা যায়, যা হার্ট এ্যাটাকের ব্যতিক্রধর্মী লক্ষণ নামে পরিচিত।

কোন কোন অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক হতে পারে

-হঠাৎ ভারী কায়িক শ্রমের পর ।
-অত্যাধিক মানসিক চাপের জন্য ।
-বাইরে ঠান্ডা আবহাওয়া জনিত কারনে।

  • ভরা পেটে খাওয়ার পর বেশি হাটাহাটি বা ব্যায়ামের পর।
  • খাওয়ার অথবা ব্যায়ামের পরপরই গোসল করলে হার্ট এ্যাটক হতে পারে।

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি সমূহ

১. তামাক (বিড়ি,সিগারেট,গুল,জর্দা) সেবন,নেশা জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ ও মদ্যপান
২.তেলযুক্ত খাদ্য গ্রহন।
৩. মানসিক চাপের মধ্যে থাকা।
৪. রক্তে এল ডি এল (খারাপ) কোলেস্ট্রলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া এবং এইচ ডি এল (ভাল) কোলেস্ট্রলের মাত্রা কমে যাওয়া।
৫. খাদ্যে এন্টি অক্সিডেন্টের অভাব।