হার্টের অপারেশনের পর করনীয়

হার্টের অপারেশনের পর করনীয় হাটের অপারেশন একটি মেজর /বড় অপারেশন। অপারেশনের পর রোগীকে বেশ কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলা প্রয়োজন। এমন কিছু নিয়ম কানুন আছে যা সকল হৃদরোগীদের অপারেশনের পর মেনে চলতে হয়।আর এমনও কিছু নিয়ম কানুন আছে যা শুধু মাত্র ইসকেমিক হার্ট ডিজিস/ হাট এটাকের পর বাইপাস রোগীদেও মেনে চলা প্রয়োজন/ কিছু নিয়ম হার্টেও ভালব অপারেশনের পর মেনে চলতে হয়। নিয়মাবলী- সাধারণতঃ

→ তিন মাস রোগী ভারী কোন কাজ করতে পারবেনা।

→ তিন মাস ৫ কেজি এর বেশি ওজন বহন করা নিষেধ।

→ তিন মাস কাত হয়ে শোয়া নিষেধ।

→ ২৪ঘন্টায় দেড় লিটারের বেশি পানি বা তরল খাবার নিষেধ।

→ তিন মাস খেলাধুলা/ ভারী ব্যায়াম/ স্বামী-স্ত্রী সহবাস নিষেধ।

→  ক্ষতস্থান ভালভাবে সাবানের ফেনা দিয়ে পরিস্কার রাখতে হবে।

→  সেলাই শুকানোর পর নিয়মিত হালকা গরম/ উঞ্চ পানিতে গোসল করতে হবে।

→ শরীরের ওজন এক মাসে তিন কেজি বা তার অধিক হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন।

→  অপারেশনের স্থানে নখ দিয়ে চুলকানো নিষেধ।

→ কাটা দাগে অনেক সময় চুলকায় তখন পরিস্কার কাপড় দিয়ে অপারেশনের স্থানে হালকাভাবে ঘষতে হবে। বেশি সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন।

→ হার্টের বাইপাস রোগীদেও জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে আধা ঘন্টা হাটবেন। এক ঘন্টা হাটলে ভালো।হৃদরোগীদের বিকালে হাঁটা ভালো। সকালে হাঁটতে চাইলে হাঁটার পূর্বে ১গ্লাস পানি পান করার পর হাঁটবেন। হাঁটাচলা করার কারনে আপনার বাইপাসের রক্তনালীগুলো ভালভাবে চালু থাকবে। রক্ত তরল রাখার জন্য ঞ,এ ইকোসপ্রিন ( রক্তের ঢ়ষধঃবঃবঃ ফবধপঃরাধঃব করার জন্য) ও পষড়ঢ়রফড়ৎবধঃ জাতীয় ঔষধ নিয়মিত সেবন করতে হবে। রক্তের কলোস্টেরল কমানোর জন্য ঔষধ সেবন করতে হবে। ভাল্বেও অপারেশনের পর করনীয়

ভাল্ব অপারেশন দুই ধরনের হতে পারে ভাল্ব রিপেয়ার ভাল্ব প্রতিস্থাপন <মেকাবিক্যাল ভাল্ব, টিসু ভাল্ব টিসু ভাল্ব এর জন্য ৩মাস ডধৎভধৎরহ ঃধনষবঃ সেবন করতে হয়। আর মেকানিক্যাল ভাল্ব এর জন্য সারা জীবনই ডধৎভধৎরহ ঃধনষবঃ সেবন করতে হয়। আপনার হার্টের অসুখ হলে কি পরীক্ষা করবেন- ECG, Chest X-ray, Echo Cardiography, Coronary angiogrm, CT Angiogram রক্তনালীর কি কি পরীক্ষা করবেন Duplex study, Peripheral angiogram, CT Angiogram, হৃদরোগ হলে হৃদরোগের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসা নেওয়া ভালো। হৃদরোগ এবং রক্তনালীর চিকিৎসায় সময় খুব গুরুত্বপূর্ন । হৃদরোগ ও রক্তনালীর অসুখ হলে জরুরী ভিত্তিতে চিকিৎসা গ্রহন করুন। চিকিৎসা গ্রহনে অবহেলা, অসতর্কতা ও সঠিক চিকিৎসা না করালে রোগীর জীবনে নেমে আসতে পারে করুণ পরিণতি।